Naznin Hasan Chumki

নাজনীন হাসান (চুমকি)

অভিজ্ঞতা

নাজনীন হাসান (চুমকি) একজন বাংলাদেশী মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। সেই সাথে তিনি চিত্রনাট্যকার, চিত্রপরিচালক এবং উপস্থাপকও। তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের জেলা ‘চুয়াডাঙ্গায়’, যা ছিল বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী। ১৯৯২ সালে তিনি যুক্ত হন ‘অরিন্দম সাংস্কৃতিক সংগঠন, চুয়াডাঙ্গা’তে তারপর থেকে থিয়েটারে পথচলা শুরু। ১৯৯৬ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ) রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ. ভর্তি হন এবং অভিনয়ের জন্য রাজধানী ঢাকায় চলে আসেন। ঐ একই বছর থিয়েটার গ্রুপ ‘দেশ নাটকের’ সদস্য হন। ১৯৯৯ সালে, তিনি টিভিতে আতœপ্রকাশ করেন ‘যেতে যেতে অবশেষে’ সিরিয়াল নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে। তার আগে ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন প্রোডাক্টের মডেল হিসেবে কাজ করেন। প্রথম সিনেমা তানভীর মোকাম্মেল-এর ‘লালন’। এরপর ২০০৬ সালে, তিনি কাজী মোরশেদ এর ‘ঘানি’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে
‘শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী’ হিসেবে “জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার” অর্জন করেন এবং ২০১৩ সালে “একই বৃত্তে” চলচ্চিত্রের জন্য সম্মানীত সমালোচকদের বিবেচনায় পছন্দের সেরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে “মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার” অর্জন করেন। ২০১১ সালে দেশ টিভি প্রযোজিত নাটক ‘যে জীবন দোয়েলের, ফড়িংয়ের’ মধ্য দিয়ে পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০০৩ সাল থেকে অদ্যাবধি নাটক রচনা করে চলেছেন। নিয়মিত তিনি মঞ্চে, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা, চিত্রনাট্য রচনা ও উপস্থাপনাতেও সমান ভাবে নিরলস কাজ করে চলেছেন।

Scroll to Top